১) কাঁচা ওল(ভালো ওল) কিনে তার ছাল ছড়িয়ে ৪-৫ টি ছোট টুকরো করুন।ঐ টুকরোগুলিকে গরুর দুধের দইয়ের সঙ্গে মিশিয়ে গিলে খেতে হবে, চিবিয়ে খেলে চলবেনা,
৫ দিন ঔষধ বন্ধ থাকবে। আবার একদিন খাবেন, আবার ৫ দিন বন্ধ রাখবেন। এইভালে -দিন খেলে হাঁপানীতে উপকার পাবেন।
২। গাওয়া ঘিয়ের সঙ্গে আফিম মিশিয়ে একটি চালের পরিমাণ মাত্রায় সন্ধ্যায় খাবার পর খেলে উপকার হয়।
৩। মধুর সঙ্গে মাত্র ৩ ফেঁাটা তার্পিন তেল মিশিয়ে সকালে এবং সন্ধ্যায় খাবেন, উপকার পাবেন। রোগীর বয়স যত হবে, তত ফোটা ভার্পিন মেশাতে হবে। তবে সবার ওপরে যেন ২৫ ফেঁাটার বেশী না হয়। অল্প অল্প মাত্রায় শুরু করে যতটা হজম হয়, ততটুকুই খেতে হবে।
৪। বাসকপাতা, বাসকছাল, বাসকফুল, বাসকমূল— এইসব দ্রব্য নিয়ে আগুনে পুড়িয়ে ছাই করে, সেই ছাই কাপড়ে ছেঁকে পানের রস বা মধুর সঙ্গে মিশিয়ে আধতোলা পরিমাণ প্রত্যহ প্রাতে, দুপুরে, বৈকালে ও সন্ধ্যায় খাবেন, উপকার পাবেন।
৫। কচ্ছপের মাথার হাড় ও তার সঙ্গে ১টি শিমূলবীচি নিয়ে সোনার মাদুলীতে ভরে গলায় বাঁধলে উপকার হয়। ৬। আদার রস, পেঁয়াজের রস একসঙ্গে মিশিয়ে ৫ তোলা পরিমাণে প্রত্যহ একবার
করে খেলে উপকার পাবেন।
৭। আকন্দের পাতা,(আঠা বাদ দিয়ে সামান্য পরিমাণ নিতে হবে) কাচাহলুদ, কুকুরবদ্ধা গাছের মূল, পিপুল, গোলমরিচ—এই সমস্ত দ্রব্য একসঙ্গে বেটে ২ মাষা পরিমাণ বড়ি তৈরী করে, রোজ তিনবার খেলে উপকার পাবেন।
৮। গাওয়া ঘি, মধু, গোলমরিচ, মৌরী, আদার রস ও পানের রস একসঙ্গে বেটে ১ তোলা পরিমাণ সকালে, ৩ তোলা পরিমাণ সন্ধ্যায় খেলে উপকার পাবেন। ৯। কণ্টিকারী গাছসহ তুলে এনে তাকে পুড়িয়ে ছাই করে, সেই ছহি গোলমরিচ, পিপুল–
এইসব দ্রব্য সমান পরিমাণে নিয়ে পেষণ করে মধুর সঙ্গে ১ তোলা হিসাবে সকালে ও বিকালে ২ বার খাবেন। পথ্য হিসাবে শুকনো আতপ চালের চিড়া খাবেন, তাতে কিন্তু জল দেবেন না।
১০। যবক্ষার ২তোলা, পিপুল ৪তোলা, গোলমরিচ ৪ তোলা –এইসকল দ্রব্য একসঙ্গে পেষণ করে ছেঁকে নিন। এবার ওর সঙ্গে আখের গুড় ৩২ তোলা মিশিয়ে আহারের পর আধতোলা পরিমাণে দুপুরে ও রাত্রে খেলে উপকার পাবেন।
১১। যবক্ষার ২ তোলা, পিপুল ৪ তোলা, গোলমরিচ ৪ তোলা—এই দ্রব্যগুলি নিয়ে একসঙ্গে চূর্ণ করে কাপড়ে ছেঁকে নিন, তারপর ওর সঙ্গে আখের গুড় মিশিয়ে খেলে উপকার হয়
